বিনাসুদে দরিদ্র নারীদের টাকা দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নীরব বিপ্লব ঘটাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। চড়া সুদের ফাঁদ থেকে মুক্তি দিতে এবার কুমিল্লার হোমনায় বিতরণ করা হয়েছে ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার সুদ, সার্ভিস চার্জ ও জামানতমুক্ত ঋণ। স্বাবলম্বী হওয়ার এই লড়াইয়ে গত ২০ বছরে যুক্ত হয়েছেন প্রায় ৩০ হাজারের বেশি নারী উদ্যোক্তা। সহজ শর্তে এই ঋণের হাত ধরে স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন স্বপ্ন দেখছেন তারা।
কুমিল্লার হোমনার এই নারীরা কেবল গৃহিণী নন, তারা একেকজন লড়াকু উদ্যোক্তা। যাদের ওপর নির্ভর করছে একেকটি পরিবারের ভবিষ্যৎ। স্বপ্ন থাকলেও মূলধনের অভাবে বারবার হোঁচট খাচ্ছিলেন তারা। ঠিক সেই মুহূর্তে ত্রাতা হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ পরিচালিত ‘বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন’।
আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) ৮২তম ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হোমনার ১৫২ জন নারীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঋণ সহায়তা। হোমনার হরিপুর গ্রামে নারীদের হাতে ঋণের টাকা তুলে দেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নাসিমুল হাই এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মিডিয়া এডভাইজার আব্দুল বারী।
সম্পূর্ণ সুদমুক্ত এবং জামানতবিহীন এই অর্থ পেয়ে খুশি স্থানীয় নারীরা। ঋণের টাকা হাতে পেয়ে হরিপুর গ্রামের রহিমা বেগম বলেন, এইবার নিয়া তৃতীয়বারেরমতো ঋণ পাইছি।
ধান কাটার সময় আসতেছে, এই টাকা নিয়া খুবই উপকার হইবো। নিশ্চিন্তে ধান কাইটা বাড়িত আনন যাইবো। সুদ নাই, যেই টাকা নেই সেইটাই ফেরত দিতে হয়। সপ্তাহে সপ্তাহে বসুন্ধরার লোক বাড়িতে গিয়া টাকা নিয়া আসে। আমার অনেক অনেক উপকার হইছে।
বসুন্ধরার চেয়ারম্যানের লাইগ্যা অনেক দোয়া করি।
আব্দুল বারী বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে, তারই দৃষ্টান্ত এই যুগোপযোগী উদ্যোগ। আপনারা এই টাকা সঠিকভাবে কাজে লাগাবেন।
নাসিমুল হাই বলেন, ২০০৫ সাল থেকে পরিচালিত সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এই ঋণ প্রকল্পের জন্য শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরই নয়, নবীনগর ও কুমিল্লার হোমনার হাজার হাজার পরিবার হয়েছে স্বাবলম্বী। এটা বসুন্ধরা গ্রুপ চেয়ারম্যান মহোদয়ের অনন্য উদ্যোগ। সুদ ও সার্ভিস চার্জ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ পৃথিবীর ইতিহাসে একটা বিরল ঘটনা।
বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ট্রেজারার ময়নাল হোসেন চৌধুরী বলেন, সুদ ও সার্ভিস চার্জমুক্ত এই ঋণ প্রকল্প পরিচালনা করে বসুন্ধরা গ্রুপ ইতোমধ্যে ৩০ হাজার ২৩৫টি দরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে সক্ষম হয়েছে। বাঞ্চারামপুর, হোমনা ও নবীনগর এই তিনটি উপজেলার ১০১টি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের নারীরা বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের ঋণ সহায়তা পেয়েছেন এবং সকলেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। কেবল ঋণের টাকাই নয়; শিক্ষাবৃত্তি, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং সেলাই মেশিন বিতরণের মতো সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও মানুষের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের এই কার্যক্রম গ্রামীণ নারীদের শুধু আর্থিক সচ্ছলতাই দিচ্ছে না, বাড়াচ্ছে তাদের আত্মমর্যাদাও। চড়া সুদের মহাজনী ফাঁদ থেকে মুক্তি পেয়ে এসব নারীরা এখন দেখছেন আগামীর নতুন স্বপ্ন। যা বদলে দিচ্ছে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতির মানচিত্র।
SOURCE : কালের কণ্ঠHospital for Covid-19 Patients at Bashundhara’s ICCB to Open Soon
মীরসরাই এবং কেরানীগঞ্জে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলো বসুন্ধরা গ্রুপ
বসুন্ধরা গ্রুপ কাপ গলফ টুর্নামেন্ট ২০১৩ গলফারদের উৎসব
Dazzling Finish of Bashundhara Cup Golf Tournament 2013
Bashundhara Group Exporting Tissue to 16 Countries
Bashundhara Group Chairman Stands by Ailing Girl
Bashundhara Group Chairman Ahmed Akbar Sobhan Stands by Sick Tasmia
India Willing Partner in Bangladesh Development
Bashundhara Group Chairman Stands by Ailing Boy Siraj
Ceremony of Bashundhara Cup Golf